সম্পত্তি লেনদেনে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুল হল স্বত্ব যাচাইয়ের আগেই অগ্রিম দেওয়া। টাকা একবার হাতবদল হলে আপনার অবস্থান দুর্বল হয়ে যায়। সাধারণত যে ক্রমে স্বত্ব যাচাই করা হয়:
১. স্বত্বের ধারাবাহিকতা
অন্তত ত্রিশ বছর পিছিয়ে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে মালিকানার ধারা অনুসরণ করুন। প্রতিটি হস্তান্তর নিবন্ধিত, যথাযথ স্ট্যাম্পযুক্ত এবং সীমানা ও পরিমাণে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া উচিত।
২. রেকর্ড অফ রাইটস
দলিলের সঙ্গে বর্তমান ভূমি রেকর্ড মিলিয়ে দেখুন। বিক্রেতার নামে দলিল থাকলেও রেকর্ডে অন্য নাম থাকলে তা যথেষ্ট নয়; বিচারাধীন মিউটেশন আর সম্পন্ন মিউটেশন এক নয়।
৩. দায়বদ্ধতা
প্রাসঙ্গিক সময়কালের এনকাম্ব্রেন্স সার্টিফিকেট নিন। বন্ধক, ব্যাঙ্কের চার্জ, বিচারাধীন মামলা, ক্রোকের আদেশ ও অধিগ্রহণের নোটিশ আলাদাভাবে যাচাই করুন।
৪. বিধিবদ্ধ ছাড়পত্র
নির্মিত সম্পত্তির ক্ষেত্রে অনুমোদিত নকশা, কমপ্লিশন বা অকুপেন্সি সার্টিফিকেট ও বর্তমান কর রসিদ দেখুন।
৫. দখল ও ভাড়াটে
সরেজমিনে পরিদর্শন করুন। কে কোন ভিত্তিতে দখলে আছেন তা নিশ্চিত করুন। ভাড়াটের অধিকার বিক্রয়ের পরেও টিকে থাকতে পারে।
৬. বিক্রেতার সক্ষমতা
বিক্রেতা বিক্রয়ে সক্ষম কিনা নিশ্চিত করুন — পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নিবন্ধিত ও বলবৎ কিনা, সহ-মালিকরা যুক্ত হয়েছেন কিনা, প্রয়োজনে অভিভাবকত্ব বা প্রোবেট নেওয়া হয়েছে কিনা।
এই লেখাটি সাধারণ তথ্যের জন্য, আইনি পরামর্শ নয়। নিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন।